নারী কোনটা বাড়ী তোর? বাপের টা, শ্বশুরের টা, নাকি বাজারের ওই মোড়? যেখানে চলে ছিলো তোর ধর্ষণ, সহ্য করে ছিলিস পৈশাচিক জোর, ছিড়ে ছিলো তোর মাংস পিন্ডগুলো কে; শুয়ে ছিলো গায়ের উপর। রক্ত যেখানে গড়িয়ে পড়ছিল যোনি থেকে তোর পায়ে, ভিড় থেকে কেউ হাত দিয়ে ছিলো,তোর ওই নগ্ন গায়ে। এখনো মা দূর্গার প্রতিমা যেখানে পায় স্থান, ঠিক সেখানেই না হয়ে ছিলো তোর ওই রক্তাক্ত স্নান? আজ পর্যন্ত মায়ের আরতি হয় যেখানে, চিবিয়ে ছিলো বুকটা তোর, সবাই কিন্তু সেখানে। কেউ দেখেছিলেন তোর যোনি কে হতে রক্তাক্ত, কেউ বা তোর সুডৌল স্তন দুটি কে, যদিও এরা ঠাকুরের বড় ভক্ত। যেখানে হাঁটছিলিস খুড়িয়ে খুড়িয়ে, নিজের বস্র কুড়োতে, মায়ের ভোগ কিন্তু খাচ্ছিলো ওখানেই, পাড়ার সব বুড়োতে। যেখানে দূর্গা প্রতিমা দাঁড়ায় বুক চিতিয়ে, অসুরকে হারিয়ে, সেই বুক-ই ছিড়ে দিয়েছিলো অসুরেরা, চলে গিয়েছিলো এক দূর্গা কে মাড়িয়ে। তোদের আসলে কিছুই নেই, ওহ্ না আছে তো, যোনি, নিতম্ব, স্তন, কিন্তু সমাজের ব্যর্থতায় সেগুলো ও যে আজ আর তোদের নয়, সবই হয়ে দাঁড়িয়েছে আজ ধষর্কদের ধন। তাই না? ~ দেবজিৎ চক্রবর্তী